আন্দোলনের রক্তাক্ত ইতিহাস: কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে অপেক্ষামান জুলাই ঘোষণাপত্রে

 

কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে অপেক্ষামান জুলাই ঘোষণাপত্রে

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ কি এবং কেনো?

এটি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক দলিল-অস্থায়ী সরকার, রাজনীতি, সমাজ ও সাংবিধানিক কাঠামোর ভবিষ্যত রূপায়নের রোডম্যাপ।

এটি সকল রাজনৈতিক শক্তি, আন্দোলনকারীদের পরিবার ও বিভিন্ন সংগঠনের সমর্থনে তৈরি হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য:

শহীদ ও আহতদের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন।
নতুন নির্বাচন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সংবিধান সংস্কারের গাইডলাইন তৈরি করা।

আজ বিকেল ৫টা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস 'জুলাই ঘোষণাপত্র' পাঠ করবেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে। অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও গণমাধ্যমেও সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে

জানানো হয়েছে, খসড়া করোন্ঠরে মোট ২৬টি দফা রয়েছে যেখানে প্রথম ২১টি দফায় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রান প্রতিরোধ ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে এবং বাকিগুলো বর্তমান গণ-অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক রূপরেখা নির্দেশ করে
BNP এর Mirza Fakhrul সহ ৫ শীর্ষ নেতা ও অন্যান্য রাজনৈতিক, সামাজিক ও শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত থাকবেন

পটভূমি ও সূচনা

২০২৪ সালের জুনে উচ্চ আদালতের একটি রায় কোটা ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে, যা পূর্বে ২০১৮ সালে বাতিল হয়েছিল। এটি ছিল যেসব নাগরিকদের কোটা থেকে বঞ্চিত করেছিল-তাদের পুনর্বিবেচনার দাবি ছিল। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও নাগরিক সমাজে তরল ক্ষোভ সৃষ্টি হয়, যা আন্দোলনে রূপ নেয়। ক্ষোভ ছিল দীর্ঘমেয়াদি বেকারত্ব, রাজনৈতিক প্রবেশদ্বার বন্ধ, এবং সরকারি দাপট-নির্বাচনহীনতার বিরুদ্ধে।

১৫ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের প্রতিবাদে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিকাশিত হয় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। প্রথম দিকে আন্দোলন শান্ত ছিল, তবে দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেয়।

বিরাট সহিংসতার চিহ্ন ও হত্যার ঘটনা

আবু সাঈদ: রংপুরে প্রথম রূপকার

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং “Students Against Discrimination” আন্দোলনের অন্যতম নেতা আবু সাঈদ ১৬ জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তার সামনের বুক উন্মুক্ত করে মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানানোর দৃশ্য দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়, যা জাতিগত তাকে আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে

চানখারপুল গণহত্যা, ৫ আগস্ট

ঢাকা চানখারপুলে পুলিশের গুলিতে ৭ জন নিহত হন, যার মধ্যে ছিলেন মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র শাহরিয়ার খান আনাস। পরে পুলিশের কনস্টেবল সুকন সুজন হোসেনকে এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা ও বন্দি করা হয়

৭ জন নিহত, পুলিশ ও APBN এর live firing, tear gas ও grenades দিয়ে হত্যাকাণ্ড হয়।
নিহতদের মধ্যে দ্রুত চিহ্নিত হয় Shahriar Khan Anas নামক দশম শ্রেণির ছাত্র; তিনবার গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে এলাকায় তাঁর স্মরণে রাস্তার নামকরণ (Shahid Anas Road) করা হয়।

ICT probe দল ঐট শনাক্ত কর্মকর্তা সহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ৯০‑পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে ৭৯ সাক্ষী, ভিডিও ফুটেজ‐ও সহ ১১টি মৃত্যু সার্টিফিকেট যুক্ত ছিল।

সিরাজগঞ্জে হতাহত শিক্ষার্থী ও পুলিশ

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ স্টেশনে সংঘর্ষে একজোট পুলিশের সদস্য এবং জনসাধারণ হতাহত। পরবর্তীতে interim সরকার Gazipur বাহিনীর সহিংসতার অভিযোগ তুলে Operation Devil Hunt‑এর সূত্রপাত করে।

নাম-তালিকা: নিহতের ফরমান

১। বাংলা আউটলুক ও অন্যান্য উৎসে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী ২৭ জুন পর্যন্ত অন্তত ২৬৬ জন নিহত, এর মধ্যে বেশিরভাগই ছাত্র

২। সরকার কর্তৃক অগাস্ট–সেপ্টেম্বর ২০২৪ এ ৭০৮ জনের একটি খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে বেসরকারিভাবে বিভিন্ন গনমাধ্যমের রিপোর্টে ৮১৯–১৪২৩ জন পর্যন্ত মৃত্যুর সম্ভাবনা দেখানো হয়

৩। UN ও OHCHR রিপোর্ট অনুসারে মোট নিহত ১,৪০০ ব্যক্তির কাছাকাছি। শিশু নিহতের সংখ্যা ১৮০ জনেরও বেশি

৪। আন্তর্জাতিক রয়টার্স ১৫০০ এর বেশি হত্যার সম্ভাবনা দেখিয়েছে, যার মধ্যে ছাত্র, জনতা, শিশু ছিল।

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

১। UN/OHCHR রিপোর্টে উল্লেখ, সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণকারী সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী “ত্রুটিপূর্ণভাবে” জীবনের অধিকার লঙ্ঘন করেছে, যেখানে মানুষকে সরাসরি গুলিতে হত্যা, নির্বিচার গ্রেপ্তার ও নির্যাতন করা হয়

২। UN মানবাধিকার প্রধান ভোলকার টুর্ক “সম্পূর্ণ তদন্ত ও দোষীদের বিচারের আহ্বান” জানিয়েছেন

৩। বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালে (ICT) সেখানে শেখ হাসিনা ও আরো ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অভিযোগ আনা হয়েছে, যাতে হত্যা ও জাতিগত নির্যাতনের দায় রয়েছে।

বিশেষ দৃষ্টি: ছাত্রদের প্রতি নির্যাতন ও লড়াই

ক) নিহতদের মধ্যে ছাত্রদের হার খুবই বেশি, যা প্রমাণ করে যে যুক্তি, মেধা ও অধিকার আদায়ের জন্য তারা রাস্তায় ছিল।

খ) সাংবাদিক ও নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা গুলিবিদ্ধ হওয়ায়, চরম নজরদারি ও সেনাবাহিনী সম্পৃক্ততার প্রশ্ন ওঠে।

গ) বিদেশি অনুসন্ধান ও ভিডিওদৃক ভিডিও-শুটিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হত্যার দৃশ্য ছাত্র হত্যার মান উন্নত করেছে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া জাগিয়েছে।

নিরাপত্তা বাহিনীর সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন

ক) নিরাপত্তা বাহিনী (পুলিশ, RAB, BGB, আর্মড পুলিশ) live ammunition, tear gas, shotgun, shotgun pellets, AK-47 ও Type-56 প্রয়োগ করে মারধর ও হত্যা করেছে। অধিকাংশ নিহত গুলিতে মারা গেছে।

খ) সুট-অন-সাইট নির্দেশ কাজ করানো হয়েছিল এবং নারীদের ওপর যৌন ও মানসিক নির্যাতন ঘটানো হয়-যেমন নারী ছাত্রনেত্রী, সাংবাদিকদের পিঠ, বুক ও মাথায় আঘাত করে বাধা দেওয়া।

গ্রেপ্তার ও হয়রানি

মাসব্যাপী গ্রেপ্তার: ১৭ জুলাই-২৯ জুলাই প্রায় ১০,০০০+ গ্রেপ্তার (ছাত্রনেতা, সহ-সমন্বয়ক, হকার, ভান্ডারকারীসহ)।

“মাস মার্শাল আইনি মামলা”: প্রায় ৯০,০০০ অভিযুক্ত ফাইলে অন্তর্ভুক্ত ছিল এমন সবাই, অনেকেই অভিযুক্ত হয়নি এর বেশি তথ্যের ভিত্তিতে।

অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব

অর্থনৈতিক ক্ষতি: প্রায় $১.২ বিলিয়ন ক্ষতি (গার্মেন্টস শিল্প, ভোগ্য পন্য শিল্প, অনলাইন আউটসোর্সিং ইত্যাদি)।

সমাজে বিভাজন: মানবাধিকারের সঙ্কটে একাংশ জোরালো ধর্মীয় গোষ্ঠীর উত্থান ঘটে, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিপদের আশঙ্কা বাড়ে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক সমাজের প্রতিক্রিয়া

University Teachers Network (UTN): আন্দোলনের সময় তারা “Anti‑Repression Teachers” শীর্ষক বক্তৃতা ও জনজাগরণ সমাবেশ আয়োজন করে। ফাহমিদুল হক বলেন,
“আমি ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম এবং পুলিশের মামলা ও রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছি..... UTN বিপ্লবের প্রধান শক্তি হয়ে উঠেছিল।”
-দেশব্যাপী শিক্ষক-সংগঠন ছাত্রদের পক্ষ নিয়েছিল।

ড. সাইয়েদ নিজার (জবি) বলেন:

“বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগে রাজনৈতিক প্রভাব নয়, মেধাবিকেন্দ্রিক পদ্ধতি দরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।”
-শিক্ষার্থীদের নির্বিচার সহিংসতার কঠোর বিরোধিতা করে তুষ্টি প্রতিপালন।

রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ

বিএনপি (মির্জ ফখরুল ইসলাম আলমগীর) বলেছিলেন:
“UN রিপোর্ট একটি জাগরণ বার্তা। আমাদের অবশ্যই স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করতে হবে।”
-মানবতাবিরোধের স্বীকৃতি ও বিচারের দাবি উত্থাপন।


জামাতে ইসলাম ( শফিকুর রহমান ) মন্তব্য করেন:
“এই রিপোর্ট একটি ‘genocide’ দস্তাবেজ। দোষীদের আইনী অনুসরণের দাবি।”
-আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল পর্যন্ত বিচার প্রক্রিয়ার আহ্বান।
আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী নেতৃবৃন্দ একে একে নির্দেশ দেয়-এই ধরনের রিপোর্টকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পক্ষপাতদুষ্ট ও ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেন। তারা দাবি করেন, আন্দোলন পরিবেশিত ঘটনায় বিএনপি-জামাত গোষ্ঠীর সন্ত্রাস অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং বিচার চলে সামগ্রিকভাবে

পরিসংখ্যানের প্রেক্ষাপট

বিষয়আনুমানিক তথ্য
মোট নিহত~১,৪০০–১,৫০০+ (UN/OHCHR estimate).
সরকারি প্রাথমিক দাবি~২১৫ (নিচু স্তরে)
UN साबित তথ্য ও সাক্ষাৎকার২৫০ সাক্ষাৎকার, ভিডিও প্রমাণ ও তদন্ত → “potential crimes against humanity”.
শিশু নিহতকমপক্ষে ৩২ জন (UNICEF), মোট ~১২‑১৩% শিশু।
আহত সংখ্যা~২০,০০০+
গ্রেপ্তার ও মামলা~১১,০০০+ গ্রেপ্তার; ~৯০,০০০+ মামলা (“Operation Devil Hunt” মামলা অন্তর্ভুক্ত)।

 

শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগ

৫ আগস্ট ২০২৪, দিনে ২:২৫ PM (BST) প্রদান করেন-রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীনের আগে বলার পরও পরোক্ষভাবে তিনি পদত্যাগ করেন এবং ভাইস সভাপতি ও সহোদর শেখ রেহানার সঙ্গে সাথে একটি হেলিকপ্টারে চেপে পরবর্তীতে ভারত (দিল্লির হিন্দন বিমানবেসে) উড়ে যান।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান পরে জাতির উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেন, সরকারের গঠন প্রয়োজন এবং একটি অস্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। ৬ আগস্ট সংসদ ভেঙে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস’র নেতৃত্বে অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়।

Interim Government: অধ্যাপক ইউনুসের নেতৃত্বে পরিবর্তন চুম্বক

৭ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রপতির স্বাগতসভা অনুষ্ঠিত; ৮ আগস্ট আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ।

সরকারের কাজ: সার্বভৌম সংবিধান ও নির্বাচন সংস্কার, আইনি সংস্কার, মানবাধিকার কমিশন গঠন, এবং গোপন হেফাজত তদন্ত (“Ayna Ghor”) কমিশন পরিচালনা।

অত্যাধুনিক বিচার প্রক্রিয়া ও অভিযুক্তদের অবস্থা

ক. ২০২৫ সালের ১০ জুলাই, ঢাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা সহ ৫ জনকে “crimes against humanity” অভিযোগে মামলা দায়ের করে; পলমামুন স্বীকারোক্তি প্রদান ও সাক্ষ্য দানে সম্মত হন।

খ. আগস্ট ২০২৫-প্রথমবারে বিচার চলছে, হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচারাধীন তার রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, অভিযোগ করে বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত।

 Operation Devil Hunt: মামলা, গ্রেপ্তার ও পরবর্তী তারিখ

১। পরিচালিত হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে, প্রথম দিনে গাজীপুরে ৮৩ জন, পরে দেশে ১,৩০৮, ৩৪৩, ৬০৭ গ্রেপ্তার হয়, যা ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ১১,৩১৩+ গ্রেপ্তারের ঘটনা তৈরি করে।

২। মার্চ ৯ পর্যন্ত সিরাজগঞ্জে ৫২ জন গ্রেপ্তার; আমাদের পরীক্ষা পর্যন্ত আসছে ৫,৮২৫+ জন (২৪ ঘণ্টায় আরও ৫০৬ গ্রেপ্তার)।

৩। এই অভিযানে গ্রেপ্তার হন Awami League সমর্থকদের পাশাপাশি Swechasebak League, Jubo League, Chhatra League সদস্যেরা এবং কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ।

৪। মূল যুদ্ধবিরোধিতা ছিল-“destabilizing elements” আটকানো, অস্ত্র বাজেয়াপ্ত-including pipe guns ও light gun recovered.

বিচারপ্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দল ও ভোটব্যবস্থায় সংকট

ক) Awami League এবং Sheikh Hasina ফলে রাজনৈতিক নিষিদ্ধ; May ২০২৫ থেকে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় interim সরকার।

খ) একই সময়ে Jamaat-e-Islami পুনরায় কার্যক্রমে প্রবেশ-Supreme Court দ্বারা পুনরুদ্ধার করা হয় তাদের পার্টি রেজিস্ট্রেশন।

গ) BNP ও নবগঠিত Student Parties জাতীয় নির্বাচনে উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছে, কিন্তু ভোটব্যবস্থা ও অস্থিরতা বন্ধ হয়নি।

ঘ) AP News প্রতিবেদন (today): দেশ এখনো রাজনৈতিক অস্থিরতায়, বিরোধী পক্ষ ও ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর প্রভাব বৃ্দ্ধি করছে, ২০২৬ সালের নির্বাচন পিছিয়ে গেছে এবং ভোট অধিকার ও গণতান্ত্রিক কাঠামো সঙ্কটে রয়েছে।
শেষ কথা

বাংলাদেশে ১৫ জুলাই-৫ আগস্ট ২০২৪ সময়কালের মধ্যে ছাত্র-নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন গণতান্ত্রিক লড়াই থেকে একটি রূপক গণহত্যা (July Massacre)-তে পরিণত হয়। সাংবাদিক, নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষক ও শিশুসহ অন্তত ১,৪০০ জনকে হত্যার মুখে ফেল, ধ্বংসস্তুপে পরিণত রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক কাঠামো, এবং দীর্ঘমেয়াদি বিচার ও পুনর্গঠন এখনও অনিশ্চিত।

৭৫+ দিনের উচ্চ চাপে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ-কিন্তু বিচার ও পুনর্গঠনের আশা এখনও পূর্ণ নয়।

প্রায় ১,৪০০ থেকে ১,৫০০+ নিহত, যাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ও যুবক। অধিকাংশ নিহত গুলিবিদ্ধ, শিশু হতাহত ও সাংবাদিক-মানবাধিকার কর্মীরা লক্ষ্যমাত্রা হয়েছেন। সরকার shoot-on-sightইন্টারনেট বন্ধ, গ্রেপ্তার, চুপিচুপি হত্যা করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান এগুলোকে crimes against humanity বলে অভিহিত করেছে, এবং বিচার দাবি করেছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলরা এই রিপোর্টকে পক্ষপাতমুক্ত বলে অস্বীকার করে, অপর পক্ষকে দায়ী করছে।

Post a Comment

0 Comments